রাজশাহী নগরীতে এক রিকশাচালকের সততা এবং নগর পুলিশের (আরএমপি) তাৎক্ষণিক উদ্যোগে হারানো হ্যান্ডব্যাগসহ মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ৮টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, গোদাগাড়ী উপজেলার ফরাজপুর গ্রামের বাসিন্দা ও পেশায় রিকশাচালক মোঃ আবুল হোসেন (পিতা: আঃ মান্নান) সোমবার (৬ জানুয়ারি) সকালে বোয়ালিয়া থানাধীন উপশহর এলাকা থেকে এক নারী যাত্রীকে রিকশায় তুলে জিরো পয়েন্ট স্যান্ডেল পট্টি এলাকায় পৌঁছে দেন। নামার সময় যাত্রীটি অসাবধানতাবশত একটি ছোট হ্যান্ডব্যাগ রিকশায় ফেলে রেখে চলে যান।
পরে ব্যাগটি খুলে আবুল হোসেন দেখতে পান, এতে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, বাসার চাবি ও কিছু নগদ অর্থ রয়েছে। মালিককে খুঁজে না পেয়ে এবং বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তির মাধ্যমে ডিসি সিটিটিসি, আরএমপির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশ কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমানের নির্দেশনায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আরএমপির সদর দপ্তরে আনা হয়।
আরএমপির তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের সহায়তায় উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) ও আরএমপির মুখপাত্র মো. গাজিউর রহমান, পিপিএম প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান শেষে ব্যাগটির প্রকৃত মালিককে সদর দপ্তরে উপস্থিত হতে অনুরোধ জানান। যাচাই-বাছাই শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে হ্যান্ডব্যাগসহ মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হারানো মালামাল ফিরে পেয়ে সংশ্লিষ্ট মালিক আরএমপি কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। রিকশাচালক মো. আবুল হোসেনের সততার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে নগদ অর্থ পুরস্কৃত করা হয়।
আরএমপি কর্তৃপক্ষ আবুল হোসেনের সততা ও দায়িত্বশীলতার ভূয়সী প্রশংসা করে জানায়, সচেতন নাগরিকদের এমন মানবিক ও নৈতিক আচরণ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
মঙ্গলবার রাত ৮টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, গোদাগাড়ী উপজেলার ফরাজপুর গ্রামের বাসিন্দা ও পেশায় রিকশাচালক মোঃ আবুল হোসেন (পিতা: আঃ মান্নান) সোমবার (৬ জানুয়ারি) সকালে বোয়ালিয়া থানাধীন উপশহর এলাকা থেকে এক নারী যাত্রীকে রিকশায় তুলে জিরো পয়েন্ট স্যান্ডেল পট্টি এলাকায় পৌঁছে দেন। নামার সময় যাত্রীটি অসাবধানতাবশত একটি ছোট হ্যান্ডব্যাগ রিকশায় ফেলে রেখে চলে যান।
পরে ব্যাগটি খুলে আবুল হোসেন দেখতে পান, এতে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, বাসার চাবি ও কিছু নগদ অর্থ রয়েছে। মালিককে খুঁজে না পেয়ে এবং বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তির মাধ্যমে ডিসি সিটিটিসি, আরএমপির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশ কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমানের নির্দেশনায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আরএমপির সদর দপ্তরে আনা হয়।
আরএমপির তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের সহায়তায় উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) ও আরএমপির মুখপাত্র মো. গাজিউর রহমান, পিপিএম প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান শেষে ব্যাগটির প্রকৃত মালিককে সদর দপ্তরে উপস্থিত হতে অনুরোধ জানান। যাচাই-বাছাই শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে হ্যান্ডব্যাগসহ মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হারানো মালামাল ফিরে পেয়ে সংশ্লিষ্ট মালিক আরএমপি কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। রিকশাচালক মো. আবুল হোসেনের সততার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে নগদ অর্থ পুরস্কৃত করা হয়।
আরএমপি কর্তৃপক্ষ আবুল হোসেনের সততা ও দায়িত্বশীলতার ভূয়সী প্রশংসা করে জানায়, সচেতন নাগরিকদের এমন মানবিক ও নৈতিক আচরণ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :